Breaking News আলোকিত নারী সম্মাননা পাচ্ছেন কোহিনূর আখতার সুচন্দা ও রুনা লায়লা                    দুই মন্ত্রীসহ স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান                    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা ও চিত্রশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠু গাছচাপায় সোমবার মারা গেছেন                    শাকিব খান ও জয়া আহসান অভিনীত দ্বিতীয় ছবি ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেমকাহিনী ২’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৮ এপ্রিল                    বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় অংশ নেবেন বলিউডের তিন খান শাহরুখ, আমির ও সালমান খান                    দ্য রেভেন্যান্ট ছবিতে অভিনয় করে অস্কার পেলেন হলিউড সুপারস্টার লিওনার্ডো ডি ক্যাপ্রিও                    মাসুদ পথিক পরিচালিত সরকারি অনুদানের ছবি ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ও সৈকত নাসির পরিচালিত ‘দেশা-দ্য লিডার’ এর জয়জয়কার                    এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৫ ফেব্রুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪ ঘোষণা করেছে                    সৌরভ গাঙ্গুলীর সঞ্চালনায় জি বাংলা চ্যানেলের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’তে অংশ নিতে রুনা লায়লা ২৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় যাচ্ছেন                    ১৮ বছর আগের চেক বাউন্স মামলা থেকে রেহাই পেলেন বলিউড অভিনেতা দীলিপ কুমার, মঙ্গলবার মুম্বাই আদালতে এই রায় দেওয়া হয়                    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষের পরিচয়’ উপন্যাস অবলম্বনে অঞ্জন আইচের পরিচালনায় ‘রূপকথার মা’ নাটকে যাত্রাদলের নায়িকার ভূমিকায় অভিনেত্রী বাঁধন                    ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বুধবার শুরু হওয়া এশিয়া কাপের এগারোতম আসরের খেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে মাছরাঙা ও গাজী টেলিভিশন                    প্রয়াত নজরুলসংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগমের নামে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠন করা হয়েছে ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড’                    হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কৃষ্ণপক্ষ’ মুক্তি পাচ্ছে ২৬ ফেব্রুয়ারি                    এবার একুশে পদক পেলেন জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, হায়াৎ মামুদ, হাবীবুল্লাহ সিরাজী (ভাষা ও সাহিত্য) মফিদুল হক (মুক্তিযুদ্ধ), শাহীন সামাদসহ (সংগীত) ১১জন                    বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আনোয়ার জাহান ঝন্টুর উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহায্য কামনা করেছেন তার পরিবার                    শিল্প-সাহিত্য-সংগীতে শিগগিরই মেধাসম্পদ আইন প্রণয়ন করা হবে বলে রবিবার সিরডাব মিলনায়তনে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু                    নেপালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে সেখানে অবস্থানরত শুটিং করতে যাওয়া বাংলাদেশি শিল্পীরা সুস্থ ও নিরাপদে আছেন                    কানাডার টরেন্টোতে ১৪ মে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের তিনটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে                    সাত বছর আবার একসঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন চলচ্চিত্রাভিনেতা ফেরদৌস এবং মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম                    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার আয়োজনে ২৯ এপ্রিল পালিত হবে বিশ্ব নৃত্য দিবস                    বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আনোয়ার জাহান নান্টু রাজধানীর পপুলার হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে                    ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা হ্যাপির করা মামলার চূড়ান্ত শুনানির জন্য ১৭ মে দিন ধার্য করেছে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৫                    জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার নেতা ও অভিনেতা হেলাল খানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন মহানগর দায়রা জজ                    জি-সিরিজের ব্যানারে ও এলিমেন্ট ফাইভ-এর সৌজন্যে প্রকাশিত হলো ইকবাল আসিফ জুয়েলের আয়োজনে ৩৪টি ব্যান্ডের ৩৪টি গান নিয়ে ৩টি অ্যালবাম                    বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আনোয়ার জাহান নান্টু রাজধানীর পপুলার হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে                    রাজধানীর শাহবাগে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে ১৮ এপ্রিল শুরু হয়েছে ‘চারুনীড়ম টেলিভিশন কাহিনীচিত্র উৎসব’                    আসন্ন কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটবেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন ও সোনম কাপুর                    রাজধানীর গুলশানে ১৭ এপ্রিল ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে আহত হন অভিনেত্রী ও মডেল তানজিনা তিশা                    এমআইবি গানমেলায় লেজারভিশনের ব্যানারে ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে মিশ্র অ্যালবাম ‘কিছু প্রত্যাশা’                    ভারতের টাইমস গ্রুপের ২০ আবেদনময়ী নারীর তালিকায় ১৯ নম্বরে বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান                    বাংলাদেশ শিল্পী সমিতি নির্বাচনে জয়ী হলেন সভাপতি পদে সাকিব খান ও সাধারণ সম্পাদক পদে অমিত হাসান                    চল্লিশের দশকের কবি আবুল হোসেন রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন                    `স্টাইলিশ হেয়ার অব দ্য ক্যাম্পাস’ প্রতিযোগিতায় ৩ লাখ তরুণীর মধ্যে বিজয় মুকুট জিতেছেন ময়মনসিংহের তরুণী রোকেয়া রাশেদ রিমি                    নিউ ইয়র্কের আর্ট কানেকশন গ্যালারিতে চলছে বিপাশা হায়াতসহ ৮ বাংলাদেশি নারীশিল্পীর চিত্রকর্ম প্রদর্শনী                    
Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
05 May 2016   07:14:07 PM   Thursday BdST A- A A+ Print this E-mail this

গল্পগুচ্ছের প্রতিবাদী নারী

ইকবাল খোরশেদ
 গল্পগুচ্ছের প্রতিবাদী নারী

গল্পগুচ্ছের প্রতিবাদী নারী

ইকবাল খোরশেদ

 

‘গল্পগুচ্ছ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সঙ্কলন। বাংলাসাহিত্যে ছোটগল্প রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে জন্মগ্রহণ করে তাঁর হাতেই পরিণতি লাভ করেছে। রবীন্দ্রনাথের আগে কোনো সাহিত্যিক-কে ওইভাবে ছোটগল্প লিখতে দেখা যায় না। অন্য অনেক বিষয়ের সঙ্গে নারী চরিত্র-চিত্রণে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প বাঙালির জীবন-যাত্রায় আজও স্বতন্ত্রমাত্রায় উজ্জ্বল। রবীন্দ্রযুগে পূর্ব-বাংলার পদ্মাতীরে শিলাইদহ, পতিসরে রবীন্দ্রনাথ জমিদারি দেখাশোনা করতে এসেছিলেন। আর তখনই তাঁর পরিচয় ঘটে বাংলার অন্তজ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে। তখন রবীন্দ্রনাথ গ্রামীণ জীবন-প্রবাহের সঙ্গে, পদ্মাতীরবর্তী জনপদের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ-হাসি-কান্নার বিচিত্র চিত্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হয়েছিলেন। আর সেইসব শ্রমজীবী সাধারণ সরল মানুষেরা উঠে এসেছে গল্পগুচ্ছের অনেক গল্পে অনন্য চরিত্র হয়ে। সেইসব চরিত্রের মধ্যে নারী চরিত্ররা গল্পের কাহিনি বিন্যাসে পালন করেছে প্রধান ভূমিকা। রবীন্দ্রনাথের নারীরা কেউ মৌন, কেউ মুখর, কেউ আত্মবিশ্বাসী, কেউ-বা আবার দারুণ প্রতিবাদী। এরা কেউ সে-কালের নারী নয়, একালের নারী। নতুন ভাবনা নতুন চিন্তার প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ তাঁর নারীদের নির্মাণ করেছেন। রবীন্দ্রনাথের পূর্বে বঙ্কিমচন্দ্রের কথাসাহিত্যে আমরা নারী চরিত্রের প্রাধান্য লক্ষ্য করি, কিন্তু সে নারীরা স্বাধীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী নয় ; পুরুষতন্ত্রের কাছে সম্পূর্ণ সমর্পিত। রবীন্দ্রনাথের উনিশ শতকের নারীরা আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল। রবীন্দ্রনাথ পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাকে অস্বীকার করার সাহস দেখিয়েছেন তাঁর ছাটগল্পের নারী চরিত্রের আত্মবিশ্বাসী পরিণতির মধ্যদিয়ে।

‘পোস্টমাস্টার’ গল্পের রতন, ‘একরাত্রি’র সুরবালা, ‘জীবিত ও মৃতে’র কাদম্বিনী, ‘দালিয়া’ গল্পের আমিনা ও জুলিখা, ‘শাস্তি’র চন্দরা, ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পের মৃণাল, সমাপ্তি’র মৃন্ময়ী, নষ্টনীড়ে’র চারুলতা এমনি অনেক নারী রবীন্দ্রছোটগল্পে হেসেছে, কেঁদেছে, জীবনের রূঢ় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়েছে, প্রয়োজনে পুরুষ-শাসিত সমাজের নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। সে প্রতিবাদ কখনও উচ্চকিত বা স্লোগানধর্মী ছিল না ; ছিল ইস্পাতকঠিন সিদ্ধান্তে সঙ্কল্পবদ্ধ। কেবল গ্রামীণ নারী নয়, শহরের নারীরাও নানারূপে নানা-অবয়বয়ে হেঁটে চলে বেড়িয়েছে রবীন্দ্র-ছোটগল্পের বেলাভূমি ধরে। তারাও আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে পুরুষবাদী সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, প্রতিবাদে হয়েছে মুখর।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পের মৃণালের কথাই ধরা যাক। নারী ও পুরুষের বৈবাহিক সম্পর্কের একটি যথার্থ অর্থ আছে, তা হচ্ছে মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক অধিকারের সমতা, কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক সমাজ সব অর্থেই নারীর অন্তরায় হয়ে ওঠে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজশাসিত মানুষের মন প্রয়শই এতটাই সংকীর্ণমনা ও পরশ্রীকাতর হয়ে পড়ে যে, বিয়ে নামক বিষয়টির মধ্যে যে ভরপুর মাধুর্য ও আত্মিক সম্পর্ক থাকার কথা তা স্বল্পায়ু কর্পূরের মতো নিঃশেষিত হয়ে যায়। নারী-পুরুষের সম্পর্ক তখন একটা অভ্যাসের ব্যাপার, বিয়ে একটা মূল্যবোধের পুরাতন দায় একটা রীতিমাত্র আর নারী সেখানে পোষা প্রাণী ছাড়া আর কিছু নয়। ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পের আখ্যান এমনই। রবীন্দ্রনাথ মৃণাল-কে স্বাধীনচেতা, যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন, সেইসঙ্গে নারীরও যে সৃজনশীল প্রতিভা থাকা স্বাভাবিক সে সত্যও উন্মোচন করেছেন। চিঠিতে মৃণাল তার স্বামীকে লিখেছে :

‘আমার একটা জিনিস তোমাদের ঘরকন্নার বাইরে ছিল, সেটা কেউ তোমরা জান নি। আমি লুকিয়ে কবিতা লিখতুম। সে ছাইপাঁশ যাই হোক-না, সেখানে তোমাদের অন্দরমহলের পাঁচিল ওঠে নি। সেইখানে আমার মুক্তি ; সেইখানে আমি আমি। আমার মধ্যে যা-কিছু তোমাদের মেজোবউকে ছাড়িয়ে রয়েছে, সে  তোমরা পছন্দ কর নি, চিনতেও পার নি ; আমি যে কবি সে এই পনেরো বছরেও তোমাদের কাছে ধরা পড়ে নি।’

মৃণালের কবিসত্তা ও ব্যক্তিসত্তা পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তাকে সাহায্য করেছে ; নারীর প্রতি স্বামীর পরিবারের অবহেলা, সংসারের সিদ্ধান্তে স্ত্রীর অংশগ্রহণকে মেনে না নেওয়া ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই সংসার ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মৃণাল। স্বামীর গৃহে মানসিক নির্যাতনের শিকার মৃণাল প্রতি মুহূর্তেই অস্তিত্বহীনতার টানাপোড়েনে ক্রমাগত বিদীর্ণ হচ্ছিল। তা থেকে মুক্তি পেতেই সংসারত্যাগী হয়েছিল সে। তাঁর চিঠির শেষ অংশটি আমরা স্মরণ করতে পারি :

‘তুমি ভাবছ আমি মরতে যাচ্ছিÑ ভয় নেই, অমন পুরোনো ঠাট্টা তোমাদের সঙ্গে আমি করব না। মীরাবাঈও তো আমারই মতো মেয়েমানুষ ছিলÑ তার শিকলও তো কম ভারী ছিল না, তাকে তো বাঁচবার জন্যে মরতে হয় নি। মীরাবাঈ তার গানে বলেছিল, ‘ছাড়–ক বাপ, ছাড়–ক মা, ছাড়–ক যে যেখানে আছে, মীরা কিন্তু লেগেই রইল, প্রভুÑ তাতে তার যা হবার তা হোক।’

এই লেগে থাকাই তো বেঁচে থাকা।

আমিও বাঁচব। আমি বাঁচলুম।’

মৃণাল গ্রামের মেয়ে হয়েও আধুনিক, রুচিশীল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। তার প্রখর যুক্তিবোধ আর বিশ্লেষণ মতা দিয়ে প্রমাণ করতে পেরেছে সে কেবল ‘মেয়েমানুষ’ নয়, মানুষও বটে। সিদ্ধান্ত নেবার মতা তারও আছে। পুরুষবাদী মনোভাব নিয়ে মৃণালের চিঠি বিশ্লেষণ করলে তাকে বিদ্রেহী বলে মনে হতে পারে। নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করলে মৃণালের সিদ্ধান্তই স্বাভাবিক বলে প্রতীয়মান হয়।

গল্পগুচ্ছের নারীরা একদিকে উদ্বেলিত হয়েছে হৃদয়ের স্নেহ-ভালোবাসা ও প্রীতির প্রত্যাশায়, অন্যদিকে শ্রেণিভেদ, জাতিগত বিপর্যয় প্রভৃতি কারণে হয়েছে নিষ্পেষিত।

‘সমাপ্তি’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মৃন্ময়ী বালিকাসুলভ আচরণে প্রত্যাখ্যান করেছে তার স্বামী অপূর্বকে। অপরিণত বয়সে স্বামী-সংসার মৃন্ময়ীর কাছে ঠেকেছে বিরক্তিকর ও যন্ত্রণার বিষয়রূপে। গাঁয়ের মেয়ে মৃন্ময়ীর খেলার সাথী রাখাল। রাখালকে নিয়ে খেলাধুলা করেই তার ব্যস্ত দিন কাটে। কৈশোর বয়সের এক বালিকার মধ্যে চপলতা চঞ্চলতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই খেলার সুযোগ না পেয়ে মৃন্ময়ী শাশুড়ির প্রতি আরো বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। কিন্তু কালপ্রবাহে মৃন্ময়ীর মানসজগতে আসে পরিবর্তন, কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণে মৃন্ময়ী নতুনভাবে উপলব্ধি করে নারীত্বকে এবং যৌবনে সে অপূর্বকে তার প্রিয় সাথী রূপেই গ্রহণ করে। মৃন্ময়ী চরিত্র নির্মাণের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ একইসঙ্গে বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধির প্রতি সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অন্যদিকে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীর হৃদয়বৃত্তির পরিবর্তনের মনস্তত্ত্বও তুলে ধরেছেন।

রবীন্দ্রছোটগল্পে দক্ষ কুমোরের শিল্পিত হাতে ছেনে-ছুয়ে ঠাকুর যে নারীকে অঙ্কন করেছেন তারা গ্রামীণ হয়েও সেকেলে নয় ; তারা একালের নারী। নতুন ভাবনা, নতুন চিন্তার প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ তাদের নির্মাণ করেছেন। ‘জীবিত ও মৃত’ গল্পের অকাল বিধবা নারী, যার বাপের বাড়ি নেই, স্বামী-পুত্রও নেই, যে মারা গিয়েছে বলে শ্রাবণের বর্ষণমুখর রাতে দাহ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, শ্মশানে জীবন্ত দাহ না হয়ে যে দ্বৈবক্রমে বেঁচে এসেছিল। কেউ বিশ্বাসই করেনি কাদম্বিনী মারা যায়নি, সবাই ভেবেছিল শ্মশান থেকে তার ভূত উঠে এসেছে। সেই নারী কাদম্বিনীকে মরে প্রমাণ করতে হয়েছে সে আগে মরেনি। এ গল্পের সমাপ্তিতে রবীন্দ্রনাথ         লিখেছেন :

‘তখন কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না ; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, “ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই। আমি কেমন করিয়া তোমাদের বুঝাইব, আমি মরি নাই। এই দেখো, আমি বাঁচিয়া আছি।”

বলিয়া কাঁসার বাটিটা ভূমি হইতে তুলিয়া কপালে আঘাত করিতে লাগিল, কপাল ফাটিয়া রক্ত বাহির হইতে লাগিল।

তখন বলিল, “এই দেখো, আমি বাঁচিয়া আছি।”

শারদাশংকর মূর্তির মতো দাঁড়াইয়া রহিলেন ; খোকা ভয়ে বাবাকে ডাকিতে লাগিল ; দুই মূর্ছিতা রমণী মাটিতে পড়িয়া রহিল ।

তখন কাদম্বিনী ‘ওগো আমি মরি নাই গো, মরি নাই গো, মরি নাই’Ñ  বলিয়া চীৎকার করিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া, সিঁড়ি বাহিয়া নামিয়া অন্তপুরের পুষ্করিণীর জলের মধ্যে গিয়া পড়িল। শারদাশংকর উপরের ঘর হইতে শুনিতে পাইলেন ঝপাস্ করিয়া একটা শব্দ হইল।

সমস্ত রাত্রি বৃষ্টি পড়িতে লাগিল ; তাহার পরদিন সকালেও বৃষ্টি পড়িতেছে, মধ্যাহ্নেও বৃষ্টির বিরাম নাই। কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ 

‘পোস্টমাস্টার’ গল্পে অনাথ গ্রামীণ বালিকা রতনের হৃদয় বেদনাই উন্মোচিত হয়েছে। অসম বয়স ও ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠা নর-নারীর ভাবনাক্ষেত্রও অসম। পোস্টমাস্টার নাগরিক, শিক্ষিত ও যুক্তিনির্ভর। তার উপলব্ধি, ‘ফিরিয়া ফল কী ? পৃথিবীতে কে কাহার।’ কিন্তু গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা রতন বালিকা ও আবেগনির্ভর। তার অবুঝ মনে প্রত্যাশাÑ ‘দাদাবাবু যদি ফিরিয়া আসে।’

‘বোষ্টমী’ গল্পে রবীন্দ্রনাথ দ্বিধাবিভক্ত প্রেমে অসফল আনন্দীর প্রেমের বর্ণনা করেছেন। আনন্দী তার দ্বিধাবিভক্ত প্রেম নিয়ে স্বামী ও প্রেমিক দুটোই ছাড়তে বাধ্য হয়। সমাজ তাকে সেই সাহস জোগায় না যাতে সে স্বামী ত্যাগ করে তার প্রেম গুরুঠাকুরকে গ্রহণ করবে কারণ, তাতে যে সে দ্বি-চারিণী হয়ে যাবে। নিষ্ঠুর সমাজ-শাসনে নারীর অসহায় অবস্থার ছবি তুলে ধরে রবীন্দ্রনাথ যেন চাবুক মেরে সমাজের চেতনা জাগাতে চেয়েছেন।

সন্ন্যাসীর স্ত্রী কুসুমের বঞ্চিত জীবনের হাহাকারকে রবীন্দ্রনাথ বাক্সময় করে তুলেছেন গল্পগুচ্ছের প্রথম গল্প ‘ঘাটের কথা’য়।

‘কঙ্কাল’ গল্পে নারীর রূপ সম্পর্কে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও স্বরূপ তুলে ধরে রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন যে, তা নারীর মানবিক জীবন-চেতনার পথে প্রতিবন্ধকতার স্বরূপ।

‘খাতা’ গল্পের বালিকাবধূ উমা লেখাপড়ায় আগ্রহ দেখাতে গিয়ে বিড়ম্বিত হয়েছে তথাকথিত শিতি স্বামীর কাছে।

‘পয়লা নম্বর’ গল্পে বুদ্ধিজীবী পুরুষের নিষ্ঠুর নিস্পৃহতা ও কর্তৃত্বপরায়ণ মতা-বলয়ের কবলে পড়া নারীর অবমাননার স্বরূপ ও তার অন্তর্বেদনার হাহাকার ফুটে উঠেছে। 

নারীর বিড়ম্বিত জীবনচেতনা গল্পগুচ্ছের বেশিরভাগ গল্পের মূল উপজীব্য উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের জরাজীর্ণ বিকলাঙ্গ মানসিকতা ও পুরুষ-শাসিত সমাজে নারীর অবমাননার অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণে বন্ধ গল্পগুচ্ছের গল্পগুলো। নারীর অপমানিত ও লাঞ্ছিত জীবনের মর্মপীড়ার আরেক প্রতিচ্ছবি ‘নষ্টনীড়’। এ-গল্পে চারুলতার প্রতি স্বামীর উপো চারুলতার মানসিক স্থিতিকে ভারসাম্যহীন করে তোলে। পত্রিকার সম্পাদক স্বামী ভূপতির অবহেলা চারুলতাকে ঘরে থেকেও গৃহহীন করে দেয়। সমাজের প্রতিটি স্বামীর নিজের স্ত্রীর প্রতি অবহেলার প্রতীক হয়ে ওঠে চারুলতা। ভূপতির বক্তব্যই তার প্রমাণ : ‘যুবতী স্ত্রীর প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করিয়া কোনো আত্মীয়া তাহাকে ভর্ৎসনা করিলে ভূপতি একবার সচেতন হইয়া কহিল, “তাই তো, চারুর একজন কেউ সঙ্গিনী থাকা উচিত, ও বেচারার কিছুই করিবার নাই।” ’ চারুলতার জৈব অস্তিত্বকে গ্রাহ্য না করে শুধু সময় কাটানোর জন্য অমল গল্পে উপস্থিত হলেও এক পর্যায়ে অমলও আত্মপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে তাকে ছেড়ে চলে যায়। যদিও অমল-চারুলতার প্রেম নিষ্কাম তারপরেও ভূপতির মনে পুরুষতন্ত্রের সন্দেহ : ‘অমলের বিচ্ছেদ স্মৃতি যে বাড়িতে বেষ্টন করিয়া জ্বলিতেছে, চারু দাবানলগ্রস্ত হরিণীর মতো সে বাড়ি পরিত্যাগ করিয়া পালাইতে চায়।’ চারুলতা এভাবেই দুই পুরুষের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হয়। নারী শারীরিক ও মানসিকভাবে এভাবেই বঞ্চিত ও নিঃসঙ্গ। চারুলতা চরিত্রের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বাঙালি নারীর অবদমন আর মানসিক নির্যাতনের বাস্তব সত্য রূপায়িত করেছেন।

নারীর ভেতর প্রতিশোধ নেবার অসাধারণ মতা রয়েছে, সে মতা কখনো কখনো পুরুষতন্ত্রের অর্গল  ভেঙে দিতে পারে সে সত্যই রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘মানভঞ্জন’ গল্পের গিরিবালা চরিত্রের মধ্য দিয়ে। এ-গল্পে ‘গিরিবালার সৌন্দর্য অকস্মাৎ আলোকরশ্মির ন্যায়, বিস্ময়ের ন্যায়, নিদ্রাভঙ্গে চেতনার ন্যায়, একেবারে চকিতে আসিয়া আঘাত করে এবং এক আঘাতে অভিভূত করিয়া দিতে পারে।’ Ñএই গিরিবালার প্রতিও স্বামী গোপীনাথের আকর্ষণ নেই, নেই ভালোবাসা। বিশেষ করে বাবার মৃত্যুর পর স্বাধীন জীবন-যাপনকারী গোপীনাথ যখন আরো বেপরোয়া হয়ে পরনারীতে আসক্ত হয়ে ওঠে। গোপীনাথ গান্ধর্ব থিয়েটারের ‘মনোরমা’ নাটকের নায়িকা লবঙ্গকে নিয়ে পালিয়ে গেলে গিরিবালা নতুনভাবে আবির্ভূত হয়। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় :

‘তাহার পরে বাসরঘরে মানভঞ্জনের পালা আরম্ভ হইল। কিন্তু ইতিমধ্যে দর্শকম-লীর মধ্যে ভারি এক  গোলমাল বাধিয়া উঠিল। মনোরমা যতণ মলিন দাসীবেশে ঘোমটা টানিয়া ছিল ততণ গোপীনাথ নিস্তব্ধ হইয়া দেখিতেছিল। কিন্তু যখন সে আভরণে ঝল্মল্ করিয়া, রক্তাম্বর পরিয়া, মাথার ঘোমটা ঘুচাইয়া, রূপের তরঙ্গ তুলিয়া বাসরঘরে দাঁড়াইল এবং এক অনির্বচনীয় গর্বে গৌরবে গ্রীবা বঙ্কিম করিয়া সমস্ত দর্শকম-লীর প্রতি এবং বিশেষ করিয়া সম্মুখবর্তী গোপীনাথের প্রতি চকিত বিদ্যুতের ন্যায় অবজ্ঞাবজ্রপূর্ণ তীক্ষèকটা নিপে করিলÑ যখন সমস্ত দর্শকম-লীর চিত্ত উদ্বেলিত হইয়া প্রশংসার করতালিতে নাট্যস্থলী সুদীর্ঘকাল কম্পান্বিত করিয়া তুলিতে লাগিলÑ তখন গোপীনাথ সহসা উঠিয়া দাঁড়াইয়া ‘গিরিবালা’ ‘গিরিবালা’ করিয়া চীৎকার করিয়া উঠিল। ছুটিয়া স্টেজের উপর লাফ দিয়া উঠিবার  চেষ্টা করিলÑ বাদকগণ তাহাকে ধরিয়া ফেলিল।

এই অকস্মাৎ রসভঙ্গে মর্মান্তিক ক্রুদ্ধ হইয়া দর্শকগণ ইংরাজিতে বাংলায়, “দূর করে দাও” “বের করে দাও” বলিয়া চীৎকার করিতে লাগিল।

গোপীনাথ পাগলের মতো ভগ্নকণ্ঠে চীৎকার করিতে লাগিল, “আমি ওকে খুন করব, ওকে খুন করব।”

পুলিশ আসিয়া গোপীনাথকে ধরিয়া টানিয়া বাহির করিয়া লইয়া গেল। সমস্ত কলিকাতা শহরের দর্শক দুই চক্ষু ভরিয়া গিরিবালার অভিনয় দেখিতে লাগিল, কেবল গোপীনাথ সেখানে স্থান পাইল না।’

গিরিবালা অভিনব পন্থায় স্বামীর অবহেলার প্রতিদান দিয়েছে। নারীকে স্ত্রী নাম দিয়ে সংসারে নিষ্ক্রিয় করে রাখার পুরুষতন্ত্রের অচলায়তনের বেদীকে গিরিবালা এক দুঃসাহসী প্রতিবাদে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। গল্পগুচ্ছে গিরিবালা এক অনন্য প্রতিবাদী নারী-চরিত্র।

রবীন্দ্রছোটগল্পে অন্যতম চরিত্র চন্দরা, ভিন্ন চেতনার প্রতিবাদ লক্ষ্য করা যায় চন্দরার মাঝে। ‘শাস্তি’ গল্পে চন্দরা নারী-জীবন অবমাননার অনবদ্য এক প্রতিবাদী প্রতীক। প্রচলিত সমাজব্যবস্থায় নারী অস্তিত্বহীন, পুরুষের ক্রীড়নক মাত্র। চন্দরার একরোখা দৃঢ়তা, মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করার মানসিকতা মূলত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদ। যে স্বামী ‘বউ গেলে বউ পাইব, কিন্তু আমার ভাই ফাঁসি গেলে আর তো ভাই পাইব না’ বলে ভাইয়ের খুনের দায় নিজের স্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দেয় সে স্বামীকে ত্যাগ করে চন্দরা মৃত্যুর কাঠগড়ায় আশ্রয় নেয়। আর স্বামীর উদ্দেশ্যে মনে মনে বলে : ‘আমি তোমাকে ছাড়িয়া আমার এই নবযৌবন লইয়া ফাঁসির কাঠকে বরণ করিলামÑ আমার ইহজন্মের শেষ বন্ধন তাহার সহিত।’ এ গল্পের সমাপ্তিতে রবীন্দ্রনাথ চন্দরার মুখনিসৃত একটি মাত্র শব্দের মধ্য দিয়ে সমাজ ও সংসারের প্রতি তীব্র অথচ শিল্পিত ঘৃণা ও প্রতিবাদের যে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তা সাহিত্যে বিরল।

‘জেলখানায় ফাঁসির পূর্বে দয়ালু সিভিল সার্জন চন্দরাকে জিজ্ঞাসা করিল,

“কাহাকেও দেখিতে ইচ্ছা কর ?”

চন্দরা কহিল, “একবার আমার মাকে দেখিতে চাই।”

ডাক্তার কহিল, “তোমার স্বামী তোমাকে দেখিতে চায়, তাহাকে কি ডাকিয়া আনিব।”

চন্দরা কহিল, “মরণÑ” ’

‘ঘাটের কথা’ থেকে ‘করুণা’ ‘গল্পগুচ্ছে’ গল্পের সংখ্যা ৯১টি। তার মধ্যে কয়েকটি মাত্র গল্পের কথা উল্লেখ করা গেল। রবীন্দ্রনাথের নারী-চরিত্ররা আধুনিক, যুক্তিবাদী, প্রগতিশীল অথচ গৃহীচেতনায় ঋদ্ধ। এরাই আবার শুভ মূল্যবোধকে ধারণ করে কানায় কানায় কল্যাণী আর স্নেহময়ী। নারী অধিকার, নারীত্ব সংরণ, মাতৃত্বে এরাই অনন্য। সেইসঙ্গে আত্মস্বাতন্ত্র্যের চারিত্র্যে প্রাগ্রসরমান আর চির নতুন। পুরুষতন্ত্রের নানামুখী নির্যাতন, শোষণ, শাসনের বিরুদ্ধে এরা সদা সোচ্চার। আত্মপ্রত্যয় এবং আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল গল্পগুচ্ছের প্রতিবাদী নারীরা বাঙালি সমাজের জন্য আজও অনুসরণীয়। হ

ব্যবহৃত পেইটিং রবীন্দ্রনাথের আঁকা

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিশেষ রচনা-এর সর্বশেষ

হোম এইপক্ষ পাঠক সমাবেশ জন্মদিন আকাশলীনা মিনি সাক্ষাৎকার অল্পস্বল্প লোকেশন থেকে অঁভোগ ডায়েট অল ইন অল রান্না রূপচর্চা বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার মুভিমেলা মুম্বাই হলিউড মুভিমেলা ডটকম সারেগারে নিকেটদেশ দূরদেশ অল্পস্বল্প অনুশীলন নতুন মুখ পেছনের মানুষ প্রোফাইল রঙ্গশালা আবৃত্তি ভ্রমণ সাক্ষাৎকার বিশেষ সম্পাদকীয় ঐতিহ্য বিশেষ রচনা সাহিত্য টেকভুবন ব্যক্তিত্ব নাচ প্রকৃতি ব্যবসায়-বাণিজ্য সংস্কৃতি ভুবনবিচিত্রা পুনশ্চ গ্যালারি

প্রধান সম্পাদক: আলমগীর হোসেন, সম্পাদ: ইকবাল খোরশেদ,

সম্পাদকীয় সহকারী: ফিরোজ সরোয়ার, ঊর্ধ্বতন সহ-সম্পাদক: শেখ সেলিম, প্রশান্ত অধিকারী, প্রতিবেদক: ফাতেমা ইয়াসমিন, আতিফ আতাউর, ঊর্ধ্বতন গ্রাফিক্স ডিজাইনারঃ মো. সাহাদাত হোসেন, গ্রাফিক্স ডিজাইনারঃ মনির হোসেন, কম্পিউটার সহকারীঃ চৌধুরী নূরজাহান বেগম, আলোকচিত্রী: জাকির হোসেন, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকঃ মো. মোখলছেুর রহমান, সহকারী বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকঃ কাজী ইসরাইল পিরু, বাণিজ্যিক নির্বাহীঃ শহিদুল ইসলাম এমেল, মাহবুব আলম, সহকারী ব্যবস্থাপক, প্রশাসন ও হিসাবঃ মো. আমিনুল ইসলাম

বেল টাওয়ার (১৩ তলা), বাড়ি-১৯, সড়ক-১, ধানমন্ডি, ঢাকা।

মেইলঃ news@anandabhuban.com.bd, info@anandabhuban.com.bd, editor@anandabhuban.com.bd

কপিরাইট © 2019 আনন্দভূবন.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com